জাপান সম্পর্কে মজার ৯ টি মজার তথ্য জেনে নিন 2021

জাপান সম্পর্কে মজার ৯ টি মজার তথ্য জেনে নিন 2021

আসসালামুয়ালাইকুম GAZIPURTIME এ আপনাদের স্বাগতম । আজ আমি আপনাদের শেয়ার করবো জাপান সম্পর্কে মজার কিছু তথ্য, যা আপনি এর আগে কখনো শুনেন নি ।জাপান বরাবর ই সব দেশের চেয়ে আলাদা সেটা আমরা সবায় জানি । চলুন তাদের দেশ সম্পরকে মজার কিছু তথ্য জেনে নিই ।

JAPAN সম্পর্কে তথ্য আমাদের বিগত পোস্ট এ ও আলোচনা করা হয়েছে , আপনি চাইলে দেখে আসতে পারেন 
জাপান সম্পর্কে অজানা তথ্য

 

পিপল পুশার

পিপল পুশার
পিপল পুশার

আমরা সবায় জানি কাজে যাওয়ার সময় ঠিক সময়ে যানবাহনে উঠা টা কত টা জরুরী । জাপানিস রা বেশিরভাগ ই ট্রেন এ করে যাতায়াত করে থাকে । ট্রেনে উঠতে এবং নামতে পেসেঞ্জার এর যাতে করে দেরি না হয় সেজন্যে স্টেশনে পুশার হায়ার করা হয়ে থাকে , যাতে করে তারা মানুষ কে খুব দ্রুত ট্রেনের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পারে । এর এমন টি হয়ে থাকে জাপানে । আশা করি জাপান এর অজানা তথ্য গুলো আপনার কাছে খুব ই মজা লাগছে ।

 

স্কয়ার ও্যাটারমেলন

স্কয়ার ও্যাটারমেলন
স্কয়ার ও্যাটারমেলন

তরমুজ এর কথা শুনলে আমাদের মনের মধ্যে ভেসে উঠে একটি গোলাকার আকৃতির বড় ফল । কিন্তু তাদের দেশে ভিন্ন কিছু দেখা যায় । সেখানে আপনি গোলাকার তরমুজ তো দেখতে পারবেন ই সাথে দেখতে পারবেন চারকোনা আকৃতির ও তরমুজ । এ জাতীয় তরমুজ ৭০ এর দশকে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ইনভেন্ট করেছিল , যাতে করে এটাকে ফ্রিজের মধ্যে খুব ভাল করে ফিট করে রাখা যায় । কারন গোলাকার তরমুজ ফ্রিজের ভিতরে খুব ভাল করে রাখা যায়না । তার পর থেকে তারা তাদের তরমুজের ডিজাইন পরিবরতন করে ফেলেছিলো । আসলে এমন টা করতে পারে শুধু জাপানিস রা ।

 

ফেক ফুড

ফেক ফুড
ফেক ফুড

আমরা রেস্টুরেন্ট এ গেলে বিভিন্ন ধরনের ফুড এর ছবি বা ব্যানার দেখে থাকি , যা মানুষ কে আকর্ষণ করার জন্যে শো করা হয়ে থাকে । কিন্তু জাপানের রেস্টুরেন্ট এ মানুষদের একটু ভিন্নভাবে আকর্ষণ করার চেস্টা করা হয়ে থাকে । তারা ফেক ফুড তৈরি করে , যা দেখে রিয়েল ফুড বলেই মনে হয় । তারা এসব খাবার তৈরি করে থাকে প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন রকমের জিনিসপত্র দিয়ে । আর এগুলো দেখে ক্রেতারা এতটাই আকর্ষিত হয়ে পড়ে যে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কারো চোখে পড়লে তারা সেগুলো না খেয়ে যেতেই চায়না ।

 

আমব্রেলা পারকিং লট

আমব্রেলা পারকিং লট
আমব্রেলা পারকিং লট

আমরা সাধারণত গাড়ি বা সাইকেল পারকিং অবস্থায় দেখতে পাই । আপনি জানলে অবাক হবেন যে সেখানে শুধু গাড়ি ই নয় , সেখানে ছাতা রাখার জন্যে ও আলাদা পারকিং লট এর ব্যাবস্থা করা হয় সেটা ও প্রতিটা বিল্ডিং এ । জাপানের বেশিরভাগ সময়ে বৃষ্টি পড়তে থাকে , তাই ছাতার পানিতে যাতে বিল্ডিং এর ভিতরে কোন পরিবেশ নস্ট না হইয় সেজন্যে ছাতা রাখার জন্যে আলাদা সু-ব্যাবস্থা রয়েছে ।

 

র‍্যাবিট আইল্যান্ড

র‍্যাবিট আইল্যান্ড
র‍্যাবিট আইল্যান্ড

১৯ শতক এর মাঝামাঝি সময় কিছু বৈজ্ঞানিক okunoshima island কিছু খরগোশ নিয়ে আশে । হঠাৎ করে সেই খরগোশ গুলো কে তারা সেখানে মুক্ত করে দেয় । আস্তে আস্তে তারা তাদের বংশ বিস্তার করে পুরো আইল্যান্ড এ ছড়িয়ে পড়েছে । এখানে অনান্য প্রানি এবং মানুষের চেয়ে খরগোশ এর সংখ্যা অনেক বেশি । আর তাই এই আইল্যান্ড কে র‍্যাবিট আইল্যান্ড বলা হয়ে থাকে । এখানে বিপুল সংখ্যক টুরিস্ট ছুটে আসে এই খরগোশ গুলোর সাথে সময় কাটাতে ।

আপনি র‍্যাবিট আইল্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এটি পড়তে পারেন

 

ট্রেন ডিলেস মেক হেডলাইন

টেন ডিলেস মেক হেডলাইন
ট্রেন ডিলেস মেক হেডলাইন

আমাদে বাংলাদেশে ট্রেন যদি আধা ঘন্টা বা এক ঘন্টা পরে আসে তাহলে আমাদের কিছু বলার থাকেনা বা কোন্রকম পদক্ষেপ ও নেওয়া হয়না । কিন্তু জানলে অবাক হবেন জাপানের কোন ট্রেন যদি স্টেশন আসতে এ পাঁচ মিনিটের বেশি দেরি করে তাহলে জাপানের জাতীয় পত্রিকা গুলো তে হেড-লাইন হিসেবে ছাপা হয় । অর্থাৎ পুরো জাপান জেনে যায় কোন ট্রেন তার গন্তব্য তে লেটে পৌঁছেছে , কারন এই দেশের সব মানুষ সময় কে খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকে । আর সেখানে বেশিরভাগ মানুষ ই ট্রেনে যাতায়াত করে দেরিতে পৌঁছানোর জন্যে ট্রেন কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সরি ও বলে থাকে ।

 

মিলিওন অফ ভেন্ডিং মেসিন

 মিলিওন অফ ভেন্ডিং মেসিন
মিলিওন অফ ভেন্ডিং মেসিন

ভেন্ডিং মেসিন সম্পর্কে আমরা প্রায় সবায় জানি । কারন এটা আমাদের পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় পাওয়া যায় । আপনি জানলে অবাক হবেন যে এই ভেন্ডিং মেসিন এর আইডিয়া জাপান থেকেই এসেছে । আর তাই বলা যায় জাপানের ভেন্ডিং মেসিন এর সংখ্যা সবথেকে বেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক । জাপানে প্রায় ৫ মিলিওন বা ৫০ লক্ষ ভেন্ডিং মেসিন রয়েছে । জাপানের প্রায় অলিতে গলিতে এই ভেন্ডিং মেসিন দেখা যায় আর এটা তাদের সময় কে অনেক সাশ্রয়ী করে থাকে ।

 

সাইলেন্ট কারাওকে

 সাইলেন্ট কারাওকে
সাইলেন্ট কারাওকে

আমাদের পাশে যদি বেসুরে গলায় গান গাইতে থাকে তাহলে তার উপর ক্ষিপ্ত বা বিরক্ত হয়ে যাই । কিন্তু জাপান সেই সকল বেসুরে মানুষ দের বেশ মুল্যায়ন করে থাকে , এবং এর জন্যে এক ধরনের বিশেষ কারাওকে তৈরি করা হয়েছে যা দিয়ে নিজে গান গাইবে এবং নিজেই তা শুনবে । এতে করে অন্য কেউ বিরক্ত হবেনা কারন  এই কারাওকের সম্পূর্ণ সাউন্ড হেডফোনে যেয়ে নিজের কানেই শোনা যায় । আর সেই সাউন্ড গায়ক মাত্র একাই শুনতে পায় । সাইলেন্ট কারাওকে সম্পর্কে বিস্তারিত

 

ও্যাটার সেভিং সিঙ্ক

ও্যাটার সেভিং সিঙ্ক
ও্যাটার সেভিং সিঙ্ক

জাপানের প্রায় সবকিছুতেই ভিন্ন রকমের ইনভেনশান দেখতে পাওয়া যায় । এমন কি তারা সিঙ্ক গুলো তে ও তাদের ইনভেনশান এড করেছে । জাপানিসরা তাদের বেসিন এর নিচে একধরনের একটা সিস্টেম রাখে যাতে হাত ধোয়ার ফলে সৃষ্ট হওয়া পানি এবং নোংরা পানি কমডের ফ্ল্যাশ চেম্বারে যেয়ে জমা হয় । আর পরবর্তীতে সেই পানি ফ্ল্যাশ করা সম্ভব হয় । এতে করে ব্যাবহ্রিত পানি রি-ইউজ করা যায় সেই সাথে বিশুদ্ধ পানি অপচয় রোধ করা যায় ।

 

জাপান সম্পর্কে এই তথ্য গুলো আপনার কাছে কেমন লেগেছে সেটা কমেন্ট করে জানাতে পারেন এবং আপনার বন্ধুবান্ধব দের সাথে শেয়ার করতে পারেন ।

 

জাপান টেকনোজির দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে সেটা আমরা সবাই জানি , আপনি জাপান টেকনোলজি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারেন জাপান টেকনোলজি

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.